
লিটল ইতালির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত জ্যান্তালুন মার্কেট। বলা হয়ে থাকে এই বাজারটি উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম বাজারগুলির মধ্যে একটি। এটি সারা বছর খোলা থাকে, তাই মন্ট্রিলের বাসিন্দারা গ্রীষ্ম এবং শীত উভয় সময়েই সরাসরি কৃষক তার উৎপাদিত পন্য এখানে বিক্রয় করেন।
মন্ট্রিয়েলের প্রাচীনতম পাবলিক মার্কেটগুলির মধ্যে অন্যতম এই বাজারটি ১৯৩৩ সালের মে মাসে উদ্বোধন করা হয়েছিল স্থানীয় জনগণকে তাজা সজীব কৃষি-খাদ্য পণ্য সরবরাহ করার লক্ষ্যে । ১৯৮৩ সালে নুভেল-ফ্রান্সের প্রথম উদ্যোক্তার সম্মানে জ্যান্তালুন মার্কেট হওয়ার আগে এটি মূলত মার্শে ডু নর্ড নামে পরিচিত ছিল।
মন্ট্রিয়েলের প্রাচীনতম পাবলিক মার্কেটগুলির মধ্যে অন্যতম এই বাজারটি ১৯৩৩ সালের মে মাসে উদ্বোধন করা হয়েছিল স্থানীয় জনগণকে তাজা সজীব কৃষি-খাদ্য পণ্য সরবরাহ করার লক্ষ্যে । ১৯৮৩ সালে নুভেল-ফ্রান্সের প্রথম উদ্যোক্তার সম্মানে জ্যান্তালুন মার্কেট হওয়ার আগে এটি মূলত মার্শে ডু নর্ড নামে পরিচিত ছিল।
জ্যান্তালুন মার্কেটে প্রতিদিন ভোর হতে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় ফলমুল এবং সবজি উৎপাদক, মাংস ও মাছ বিক্রেতা, বেকারী আইটেম , মুদি, ফুল, অর্কিড ইত্যাদির পসরা সাঁজিয়ে বসেন।
মার্কেটের ভেতর ভ্রমণের সময় আপনার ক্ষুধা পেলে অসংখ্য ছোট ছোট কফিশপ,রেস্টুরেন্ট,বারে ঢুঁ মারতে পারেন। রেস্তোরাঁগুলির জন্য আলাদা জোন করা আছে। এই বাজারটিকে বলা হয়, এটি গ্রামের পরিবেশের অংশ, পারিবারিক জায়গা যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ব্যবসায়ী এবং গ্রাহক উভয়ই বেড়ে উঠেছে।
লাভাল কাহিনী
মন্ট্রিয়েল শহর হতে একটু দূরের শহর লাভাল। লাভালের একটি অংশ নিয়ে গড়ে উঠেছে কার্টিয়ার শহরতলি। লাভাল যেতে মনমরসিগামী মেট্রোতে কার্টিয়ার মেট্রো স্টেশন। এখানে নেমেই চলে এসেছি লাভালের পন্ট-ভিয়াউ জেলার কার্টিয়ার নেইবাহুডে। খুবই ছিমছাম,শান্ত নিরিবিলি এলাকা।
এই এলাকাটি বর্তমানে বেশ কিছুটা পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এখানে নতুন নতুন অনেক কনডো এবং অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তাই এলাকাটি বেশ আধুনিক হয়ে উঠছে। তবে, এখানে এখনো কিছু পুরনো ধাঁচের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা এই এলাকার একটি বিশেষত্ব বহন করে।
আগেই বলেছি, এই এলাকাটা খুব বেশি কোলাহলপূর্ণ নয়, তবে এখানে জীবনযাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই হাতের কাছে পাওয়া যায়। এখানে অনেক পার্ক এবং সবুজ জায়গা রয়েছে, যা একে বেশ শান্ত এবং আরামদায়ক করে তুলেছে।
কার্টিয়ারের সংস্কৃতিতে ফরাসি প্রভাব স্পষ্ট। এখানে ফরাসি ভাষায় কথা বলা হয় এবং ফরাসি খাবার ও সংস্কৃতি বেশ জনপ্রিয়। তবে, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অভিবাসীরাও এখানে বসবাস করে, তাই এখানে একটা মিশ্র সংস্কৃতি দেখা যায়। জীবনযাত্রার মান বেশ উন্নত। এখানে অনেক পার্ক, রেস্টুরেন্ট এবং দোকানপাট রয়েছে, যা জীবনকে আরও সুন্দর করে তোলে। এখানকার মানুষজন সাধারণত বন্ধুত্বপূর্ণ এবং মিশুক প্রকৃতির।
আপনি যদি একটু শান্ত এবং নিরিবিলি পরিবেশে থাকতে চান, আবার একই সাথে শহরের সুযোগ-সুবিধাগুলোও পেতে চান, তাহলে কার্টিয়ার আপনার জন্য ভালো একটা জায়গা হতে পারে।

