
পরিকল্পিত টরন্টো ও কুইবেক সিটির মধ্যে হাই-স্পিড রেলপথ নির্মাণ চার বছরের মধ্যেই শুরু করতে চায় ফেডারেল সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক লাবøাঁ বৃহস্পতিবার বলেন, আল্টো হাই-স্পিড রেলপথের প্রকৌশল ও নিয়ন্ত্রণমূলক কাজ করবে সরকারের নবগঠিত মেজর প্রজেক্টস অফিস। মন্ট্রিয়লে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, খুবই ঘণবসতিপূর্ণ এলাকায় এটা খুবই দারুণ একটি প্রকল্প।
লাবøাঁ এই মন্তব্য করেন পোর্ট অব মন্ট্রিয়লে, যার সম্প্রসারণ রয়েছে প্রথম পাঁচটি বৃহৎ প্রকল্পের তালিকায়। ফেডারেল সরকারের মেজর প্রজেক্টস অফিসের মাধ্যমে ফাস্ট-ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে এগুলো অনুমোদনের জন্য বিবেচনাধীন আছে।
বৃহস্পতিবার যে প্রথম পাঁচটি বৃহৎ প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে আল্টো তার মধ্যে নেই। তবে সরকার অন্য যেসব প্রকল্প ভবিষ্যতে উন্নয়নের জন্য তালিকাভুক্ত করেছে তার মধ্যে আছে এই প্রকল্পটি ।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গত ফেব্রæয়ারি মাসের এক ঘোষণায় বলেছিলেন, প্রকল্পের নকশা তৈরির জন্য অটোয়া একটি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ছয় বছরের জন্য ৩৯০ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে। প্রকল্পটি শেষ হলে ঘণ্টায় এক হাজার কিলোমিটার রেল নেটওয়ার্ক মাত্র তিন ঘণ্টায় পাড়ি দেওয়া যাবে। এই রেলপথে ট্রেন চলবে প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার গতিতে।
লাবøাঁ বৃহস্পতিবার বলেন, আগামী চার বছরের কাজের মাধ্যমে টরন্টো ও কুইবেক সিটির মধ্যে চ‚ড়ান্ত রুট নির্ধারিত হবে। এক হাজার কিলোমিটার রুটের মূল্যায়নের বিষয়টি একবার কল্পনা করে দেখুন। কল্পনা করে দেখুন আদিবাসী পরামর্শের বিষয়টি। এটা তাৎপর্যপূর্ণ প্রকল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
তিনি বলেন, কানাডিয়ান জনগণের প্রায় অর্ধেক হাই-স্পিড রেল করিডোর বরাবর বসবাস করে। মেজর প্রজেক্টস অফিসের সহায়তা ছাড়া রেল প্রকল্পটির নির্মাণ শুরু করতে আট বছর লেগে যাবে।
যদিও এই সংখ্যাটি কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট্র নয়। ফেব্রæয়ারিতে নকশা চুক্তির যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল তা ছয় বছরের জন্য। সে সময় ট্রুডো বলেছিলেন, উন্নয়ন পর্ব শেষ করতে চার থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে।
এ ব্যাপারে জানতে দি কানাডিয়ান প্রেসের পক্ষ থেকে আল্টোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিক সাড়া মেলেনি। কবে নাগাদ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হবে এবং ট্রেন চলাচল সে ব্যাপারে লাবøাঁও কিছু বলতে পারেননি।
আল্টোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্টিন ইমবিøউর প্রাক্কলন অনুযায়ী, হাই-স্পিড রেল প্রকল্পটি শেষ করতে ৬ হাজার থেকে ৯ হাজার কোটি ডলার খরচ হতে পারে।
