
জানালায় চোখ রাখলেই বিসর্গ এর মত দুঃখ বিন্দুটা উড়ে যায় পাখির মত! হাত বাড়ালেই ছুঁয়ে যায় শীতের গহীন বাতাস!
তোমাকে মনে পড়ে প্রিয় পাতাবাহার!
তোমাকে অস্থির অপেক্ষার নীল পায়রার মত বুকের ওম এ ধরে রাখি! মুঠো মুঠো ভালোবাসার ফুল গুছিয়ে রাখি ফুলদানীতে!
তোমাকে চিঠি লিখতে বসলেই পাখির পালক আর কালির দোয়াতটা সামনে রাখি!
সংশয় ঘিরে থাকে নিজের ভিতর!
জ্বরে ভেসে যাওয়া চোখের নদীর ডুব সাঁতারে কে যে কাকে খুঁজি!
রাত্রিবেলা হঠাৎ ঝড় এলে, জানালার কপাটের ওপারে দেখো যদি মৌণ চোখ! অবাক হয়োনা!
হিজলপুরের পথে হাঁটবো কোনদিন!
আব্রাকাডাব্রা বলে একটা ময়ূরের পেখম বানিয়ে ঢুকিয়ে নেবে আমাকে বুক পকেটে ।
এখানেই কেটে যাবে বেশ কয়েকটা নক্ষত্রকাল!
জলের কাছে ডুবে জলজোছনার মত!
আমার তো তোমাকেই কবিতা মনেহয়! কবিতা মানেই তোমার ভিতর বাহির সব!
একথা বলো তো প্রায়ই !
চালচূলোহীন সংসারে ঠিক খাপ খেয়ে যাই!
মেঝেতে রাখা লম্বা সেই আয়নার তুমি,ধেয়ে ধেয়ে আসো চোখের সীমানায়!
কতবার বলেছি, কাঠের বাড়িতে চলো যাই!
ওখানে স্বপ্ন ঘিরে থাকে বারোমাস!
সেই শীতলপাটি বিছানায় বসে কত অজস্র কবিতা সকাল!
সিঁড়িতে বসে শুধু গানের শেষ অক্ষর খেলা!
কপালের এলোমেলো চুল গুছিয়ে দেবার ছলে যতটুকু কাছে আসা!
তার ঠিক খুব কাছেই ঘোরে আদর ইচ্ছারা!
কত তুমুল ভালোবাসার কাছে ঘুরে বেড়ায় শেষ রাতের চাঁদ!
তা যদি জানতে,
যদি জানতে,”কার অনুভবে কে গো দিশাহারা”!
আবার ফিরে এলে,
শুধু ছুঁয়ে থাকবো এমন করে,
যেনো একই কবিতার বইয়ের পাতায় পাশাপাশি দুই কবিতা!
দূরে থাকা জানোতো সয় না!
প্রানে সয় না!
অটোয়া, কানাডা
