চাকরি ও বাসস্থান পাবে ইউক্রেনের শরনার্থীরা

ইউক্রেনের শরনার্থীরা অন্টারিওতে এলে তাদের জন্য চাকরি ও আবাসন অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড তিনি বলেন রাশিয়ার আক্রমণের কারণে পালিয়ে আসা ইউক্রেনের নাগরিকদের পুনর্বাসনে কীভাবে সহায়তা করা যায় তা নিয়ে অটোয়ার সঙ্গে তিনি আলোচনা করছেন

ইউক্রেনের শরনার্থীরা অন্টারিওতে এলে তাদের জন্য চাকরি ও আবাসন অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড। তিনি বলেন, রাশিয়ার আক্রমণের কারণে পালিয়ে আসা ইউক্রেনের নাগরিকদের পুনর্বাসনে কীভাবে সহায়তা করা যায় তা নিয়ে অটোয়ার সঙ্গে তিনি আলোচনা করছেন।

অন্টারিওর লন্ডনে এক ঘোষণায় এসব কথা বলেন ডগ ফোর্ড। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সপ্তাহান্তে আমি ফেডারেল সরকারের সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছি। প্রক্রিয়াটিতে গতি আনতে যা করার অন্টারিও তা করতে পারবে বলে আমি আশাবাদী।

- Advertisement -

অভিবাসন আবেদনে ইউক্রেনের নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এরই মধ্যে ব্যক্ত করেছে কানাডা। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বৃহস্পতিবার ইউক্রেন সংক্রান্ত অভিবাসন প্রশ্নে জনগণের জন্য নতুন একটি হটলাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন।

অন্টারিওর শ্রমমন্ত্রী মন্টি ম্যাকনটন বলেন, ইউক্রেনের শরনার্থীদের যাতে চাকরি দেওয়া হয় সে ব্যাপারে কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একটি ইউনিয়ন থেকে ২০ হাজার চাকরির প্রস্তাব এরই মধ্যে দেওয়া হয়েছে এবং আরও মানুষকে স্বাগত জানানোর জন্য তৈরি আছে প্রদেশ। এই মানুষগুলোকে সহায়তা করার মতো আমাদের কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সরকার তাদের সমর্থন নিতে যাচ্ছে। অন্টারিওতে শরনার্থীদের পুনর্বাসনের সুযোগ নিয়ে ফেডারেল অভিবাসন মন্ত্রী শন ফ্রেজারের সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও জানান ম্যাকনটন।

রাশিয়ার আক্রমণের কারণে ইউক্রেনের নাগরিকরা আশ্রয় চাইলে কানাডার প্রতি তা দেওয়ার যে দাবি ফোর্ড জানিয়েছেন তার সঙ্গে সুর মিলিয়েছে অন্টারিওর বৃহৎ নগরগুলোর মেয়রদের প্রতিনিধিত্বকারী গ্রæপও। অন্টারিওর বিগ সিটি মেয়রস শুক্রবারের বৈঠকে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দিয়ে একটি প্রস্তাব পাশ করেছে। সহিংসতার কারণে পালিয়ে আসা ইউক্রেনের শরনার্থীদের যাতে খোলা মনে গ্রহণ করা হয় সে দাবিও জানিয়েছে গ্রুপটি।

ইউক্রেনের মানবিক সহায়তা ৩ লাখ ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অন্টারিও। কানাডিয়ান-ইউক্রেন ফাউন্ডেশন এ তহবিল বিতরণ করবে। এনডিপি নেতা আন্দ্রিয়া হরওয়ার্থ আরও অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রদেশের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে প্রাদেশিক সরকার এলসিবিওকে রাশিয়ায় উৎপাদিত পণ্যের বিক্রি বন্ধ করতে বলেছে। ফোর্ড বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের বিষয়েও বিবেচনা করা হচ্ছে সরকার। রাশিয়ার সঙ্গে অন্টারিওর যেসব ব্যবসা আছে সরকার সেগুলো মূল্যায়ন করে দেখছে এবং কী করা যায় তা নিয়ে অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

This article was written by Rezaul Haque as part of the Local Journalism Initiative.

 

- Advertisement -

Read More

Recent