
একদিন আগে ভারতের মিডিয়া ‘রিপাবলিক’ কে দেয়া জয়ের সাক্ষাতকার আর আমার কথা।
১. আওয়ামিলীগ না থাকলে হিন্দু থাকবেনা।
( আশাকরি আগামী সরকার এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিবে। আমি নিজেও শংকিত। আমার মনে হয় দেশে ধর্মীয় সংখালঘুদের জন্য ভাতা চালু করা এখন সময়ের দাবী)
২. তিনি স্বীকার করলেন ‘ডিজিটাল আইন’ কিছুটা অতিরিক্ত হয়েছে।
( ডিজিটাল আইনে বাড়াবাড়ি করার কারণে যে প্রাণ গিয়েছে তোমাদের অত্যাচারে, তার কি ফয়সালা!)
৩. শেখ হাসিনা চেয়েছিল বাংলাদেশের উন্নয়ন করতে। তাই সবাই তার পিছনে লেগেছে।
( তোমার আম্মু ১৫ বছরে উন্নয়ন দেখিয়ে যে প্রজন্ম তৈরী করেছে, তারাই কিন্তু এই আন্দোলন করেছে। তোমার মা যখন ক্ষমতায় আসে মুগ্ধর বয়স কত ছিল?
৪. উনি জানালেন আমার মা পুলিশকে ছাত্রদের গুলি করতে বলে নাই। তাও পুলিশ গুলি করেছে।
( হা হা হা। তারমানে তোমার মায়ের আদেশ পুলিশ পাত্তা দেয়না। ছাত্রদের উপর গুলি করার আদেশ অমান্যকারী পুলিশের বিরুদ্ধে তোমার আম্মু কি ব্যবস্থা নিয়েছে? )
৫. দেশ কয়েকমাসের মধ্যে আফগানিস্তান হয়ে যাবে।
( আশাকরি আগামী সরকার এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিবে। বাংলাদেশের ধর্মীয় স্থাপনাগুলি আমাদের সংস্কৃতির অংশ। নিজের কৃষ্টি সংস্কৃতি নতুন করে লেখা যায় না। এটা মানতে হবে। ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার আইন কঠোর করতে হবে। এক্ষত্রে এসিড নিক্ষেপের শাস্তির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছি)
৬. শেখ পরিবার দেশের চিন্তা করতে চাননা। (টাকা অনেক বানিয়েছো। কাজেই কয়েকবছর চিন্তা নাই। সবকিছু ঠান্ডা হোক। আবার ফিরবা আমি সিওর)
৭. শেখ হাসিনার ব্যাক্তিগত জিনিসপত্র ট্রফির মত দেখিয়েছে।
(আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এই বিষয়ে বিব্রত এবং ক্ষমাপার্থী। হামলাকারীরা এটা করে তাদের মানসিক দৈন্যতার পরিচয় দিয়েছে। আমারা যে অভদ্র এটা তার প্রমান)
৮. তোমার মা বা তুমি কি জাতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থী? ( না তারা ক্ষমা প্রার্থী নন। তারা পুলিশদের এসব আদেশ দেয় নাই। আর কত মিথ্যাচার! আয়নাঘরের জন্যও কি ক্ষমা প্রার্থনা করা যায় না?)
৯. ইউনুস কেমন? ( ইউনুসের প্রতি চ্যালেঞ্জ।। দেখা যাক উনি কে করেন)
টরন্টো, কানাডা
