
২০১৫ সালের ২৫ অক্টোবর এস আলমের পক্ষে একুশে টেলিভিশন দখলে নেতৃত্ব দেন র্যাবের তৎকালীন প্রেস উইংয়ের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোহাম্মদ সোহায়েল। এই ঘটনার সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের প্রয়াত মাহবুবুল হক শাকিল, আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, আওয়ামীলীগ নেতা শহীদুল্লাহ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
একুশে টেলিভিশনের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিষদের উচিৎ রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোহাম্মদ সোহায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান দখলের মামলা দায়ের করা। ২০১৫-১৬ এই সময়ে এস আলমের নির্দেশে একুশে টেলিভিশন থেকে যারা চাকুরিচ্যুত হয়েছিলেন, ক্ষতিগ্রস্থরাও উদ্যোগী হয়ে মামলা করতে পারেন। এই মামলা পথ দেখাতে পারে, জোর করে প্রতিষ্ঠান দখলের সংস্কৃতি বন্ধের।
এদিকে রাজধানীর পল্টনে মুদিদোকানদার নবীন তালুকদার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আহমদ হোসেন এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোহাম্মদ সোহায়েলকে চার দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
কোন গনমাধ্যম বন্ধ হোক চাই না
সময় টেলিভিশন বন্ধ নিয়ে অনেকেই পোস্ট দিচ্ছেন সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে। কেউ কেউ ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন, সরকার সময় টিভি বন্ধ করেছে।
এটা পুরো মিথ্যা তথ্য।
সত্য জানুন, সময় টেলিভিশন সরকার বন্ধ করেনি। মালিকপক্ষের দ্বন্দ্বের কারণে একপক্ষ মামলা করায় সময় টিভির সম্প্রচার ৭ দিনের জন্য বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তাদের মালিকানার দ্বন্ধ মিটলে সময় টিভি সম্প্রচারে ফিরতে কোন বাধা থাকবে না।
যাহোক, যাকে নিয়ে দ্বন্ধ তিনি সময় টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জোবায়ের। আমাদের জো ভাই। সরকার পতনের পর সময় টিভির শতভাগ মালিকানা যাদের সেই সিটি গ্রুপ তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেন। এটা চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছেন আহমেদ জোবায়ের।
উল্লেখ সাংবাদিক আহমেদ জোবায়ের হলেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী এড. কামরুল ইসলামের ভাগিনা।
মজার বিষয় হচ্ছে, এই মামলার আইনজীবি হচ্ছেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন।
দীপু মনির হাজতবাস
ডা. দীপুমনি, আরিফ খান জয়কে মোহাম্মদপুরের মুদি দোকানি আবু সায়েদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার এবং সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে নিউমার্কেট থানায় হকার শাহজাহান আলী হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
খুবই ঠুনকো, বাজে ও দূর্বল মামলা।
খুব জানতে ইচ্ছে করছে, কার বুদ্ধিতে, কাদের প্ররোচনায় পুলিশ এসব মামলা দায়ের করে?
নাকি পুলিশ স্বপ্রনোদিত হয়ে পতিত সরকারের মন্ত্রী, এমপিদের বাঁচানোর জন্য এরকম ঠুনকো মামলা দায়ের করছে?
আরে ভাই, এসব মামলার চেয়ে এদের বিরুদ্ধে তাদের স্ব স্ব মন্ত্রনালয়ে হাজারো দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কোটি কোটি টাকা পাচার, লুটপাটের অভিযোগ আছে। সেইসব দূর্নীতির মামলা আগে দেন। তখন একটাও রক্ষা পাবে না।
তারপর না হয় রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের মামলা দায়ের করেন।
মন্ট্রিয়ল, কানাডা
