মুরুব্বি…মুরুব্বি

চোর বা যে দলের সমর্থক হোক না কেন কাউকে মেরে ফেলা কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়

এক
উন্মত্ত জনতাকে কে রুখবে?
দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিটিয়ে মানুষ মারা হলো। কেউ কি এসব দেখার নেই? যাকে তাকে ফ্যাসিবাদের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে গনপিটুনী দিয়ে মেরে ফেলা কি ভয়ানক!
চোর বা যে দলের সমর্থক হোক না কেন কাউকে মেরে ফেলা কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
অবিলম্বে খুনিদের গ্রেফতার করা হোক।
এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির অবসান চাই।
এর মধ্যে আজ পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে আদিবাসীদের ওপর হামলা করেছে সেটেলার বাংলাদেশীরা। বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে, আদিবাসীদের মেরে এলাকাছাড়া করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
যে জানোয়ারগুলো এই ঘটনার সাথে যুক্ত তাদের শুধু গ্রেফতার করলে হবে না, তাদের উপযুক্ত কঠিন শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে যেন কেউ আদিবাসীদের ওপর হামলার সাহস না পায়।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

- Advertisement -

দুই
হাসনাত আব্দুল্লাহ, সার্জিস আলমসহ আরো বেশ ক’জন সমন্বয়কের ফেসবুক প্রোফাইল ঘেটে পুরানো ছবি বের করছে আফসোস লীগের গুজববাজরা। সেগুলো পোস্ট দিয়ে বলা হচ্ছে, হাসনাত কাশ্মীর ভ্রমনে। কখনো এয়ারপোর্টের ছবি দিয়ে বলছে, দেখেন ত্রানের টাকা মেরে বিদেশ যাচ্ছে। কখনো দু’জন বা তিনজনের গ্রুপ ছবি দিয়ে বলছে, কি কারবার, এরা এখন দামী রেস্টুরেন্টে কাবাব, পরোটা খাচ্ছে। এয়ারপোর্টের নারী সমন্বয়কের ছবি দিয়ে তার ভ্যানিটি ব্যাগ, পোষাক দেখিয়ে লিখছে ব্র‍্যান্ডের এসব কিনেছে ত্রানের টাকায়।
কি সুন্দর না!
সমন্বয়করা এখন এতো ব্যস্ত বিদেশ ভ্রমন তো দূরের কথা নিজের পরিবারকেই সময় দিতে পারছে না। ছবিগুলো ফ্যাক্ট চেক করে দেখেন। একটা ছবিও গত দুই তিনমাসের নয়। এই ছবিগুলো এই সমন্বয়কদের ফেসবুকেই আছে।
গুজব যারা বিশ্বাস করেন, ছড়িয়ে দিচ্ছেন তাদের জন্য করুনা ও ঘৃনা হয়।
ছবি: হাসনাত আব্দুল্লাহর সাথে সার্জিস আলমের প্রথম ছবিটি ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবরে পোস্ট করা।
হাসনাত আব্দুল্লাহর দ্বিতীয় ছবি সম্ভবত ৪ বছর আগে কাশ্মীর ভ্রমনের।

মন্ট্রিয়ল, কানাডা

- Advertisement -

Read More

Recent