
হাসনাত আবদুল্লাহর পোস্ট থেকে কিছু বিষয় পরিষ্কার হলাম আর সেটি হচ্ছে সেনাবাহিনীই অনেক কিছু নিয়ন্ত্রন করছে।
এখানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের খুব একটা ক্ষমতা নেই। সেনাবাহিনী সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে ইউনুস ফুট্টুস হয়ে যাবে।
আরেকটি বিষয় বুঝা গেলো, সেনাবাহিনীর পুরো নিয়ন্ত্রণ এখন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানেরই হাতে। সেনাবাহিনীর মধ্যে যে সব ফ্র্যাকশনাল গ্রুপগুলির কথা শোনা যাচ্ছিল তাদেরকে মোটামুটি কব্জায় নিয়ে আসা হয়েছে।কিছু একটা করে ফেলার তাদের আর তেমন কোন ক্ষমতা নেই।
হাসনাতের বক্তব্যে আরও স্পষ্ট হলো, সেনাপ্রধান এর আগে রাওয়া ক্লাবে তার বক্তব্যে যে inclusive নির্বাচনের কথা বলেছিলেন সেটি নিয়ে সেনাপ্রধান সক্রিয় এবং তা নিয়ে কাজও শুরু করে দিয়েছেন। সেনাপ্রধান ওয়াকার একটি সংশোধিত আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার জন্য এক্টিভভাবেই কাজ শুরু করেছেন। এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি মোটামুটি রাজনৈতিক দলগুলিকে রাজী করিয়েছেন। তিনি চাচ্ছেন আওয়ামী লীগ দুই তিনটা আসন নিয়ে হলেও সংসদে বিরোধী দল হিসাবে থাকুক।
কিন্তু কথা হচ্ছে, এই দায়িত্ব সেনাপ্রধান নিজে নিলেন কেন?
না নিয়ে উপায় নেই। কারন, ড.ইউনুসের অন্তবর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে বাস্তবিক অর্থে ফিরিয়ে আনার জন্য কোন উদ্যোগ নিবে না। তারা শুধু বলেই যাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে না কিন্তু আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে এবং শারীরিকভাবে ফিরিয়ে আনার জন্য কোন উদ্যোগ নিবে না।
তাই সেনাপ্রধানকেই এই দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। বুঝাই যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অনেক প্রেসার আছে।এই প্রেসারকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়।
সেনাপ্রধান জানেন, জুলাই আগষ্ট আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগে বাঁধা আসবে।
সেক্ষেত্রে তিনি কি করবেন?
সেক্ষেত্রে সেনাপ্রধানকে হয়ত কঠিন পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
তবে সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন সেনাপ্রধানের হাতেই। তানাহলে তিনি এই উদ্যোগ নিতে পারতেন না। সেনাবাহিনীর ভিতর থেকেই ফ্র্যাকশনাল গ্রুপগুলি থেকে বাঁধা আসতো। ওয়াকার সাহেব এই বাঁধগুলিকে কার্যকরভাবে ডিফিউজ করার পরেই এই উদ্যোগে হাত দিয়েছেন। ডিফিউজ না করলে তিনি তা পারতেন না।
সেনাপ্রধান ওয়াকার- উজ-জামানই এখন পুরো রাষ্ট্রের ড্রাইভিং সিটে বসা।
স্কারবোরো, কানাডা
